প্রচন্ড কান্না পাচ্ছে আর একটা চাপা নিশ্বাসের কষ্ট হচ্ছে,,,চোখ দুটো প্রায় শুকন হয়ে এসছে,জল গুলো শেষ,,,,মিলেয়ে গেছে হিমালয়ের মতনি, তবু যেন বুকের ভেতর কি যেন একটা চেপে বসে আছে,ছাড়ছে না কিছুতেই। সন্ধ্যে ছটা বাজতেই দেখি চারপাশে অন্ধকার নেমে আসে,অস্বস্তি হয় তখন, brain টাই যেন এতো জলদি অন্ধকারে অভ্যস্ত নয়। হল দুদিন,,,এসের থেকে জানলার পর্দা সরাইনি, জানি concrete দেখব,আবার বুক কুঁকড়ে কান্না পাবে। জলোরিকে ছেড়ে এসেছি আমি, ওকে ছেড়েই চলে এসছি স্বার্থপরের মতন।
এখানে মানুষ গুলো বুনো পর্যন্ত নয়, খামারের শুয়োর,,,কেউ কারো সাথে কথা বলে না, অথচ হয়তো পাশের বাড়ির মেয়েটা আজ রাত্রেই গলায় ফাঁস দেওয়ার অভিসন্ধি করছে,,,,ছেঁড়া গেছে লোকের,,,,এটা হল metropoliton এখানে লোকে আসে সুবিধে পেতে,,,মানুষের শোক,মৃত্যুতে এ cementময়ি রাক্ষসীর কিচ্ছু এসে যায় না। যত পারো আরো আরো দূরে সরিয়ে ফেল মানুষকে তার প্রাচীন জীব হওয়ার প্রবৃত্তি থেকে,,,,,গড়ে উঠবে অবসাদ,ডাক্তারদের মুনাফা বাড়বে। এ শহরে আর এক চিলতে জায়গা ফাঁকা নেই দুদণ্ড নিজের মুখো মুখি বসার জন্য। ট্রামে তাই কবি অনেক আগেই কাটা পড়েছে এই বিদ্ঘুটে শহরেই,,,,,তবু কলকাতার কলঙ্ক আজো ঘোচেনি কিছুতেই,,,বাড়িয়েই চলেছে প্রকৃতিহীনতা,নির্লজ্জের মতো।
নগর কেন্দ্রিকতাও এক মস্ত মরণ ফাঁদ যারা বোঝেনি তারা বেঁচে গেছে,,,,,আর যারা বুঝেছে,,,তারা স্পষ্ট দেখে দিন রাত তাদের গেলানো হচ্ছে মনুষ্য সৃষ্ট নিয়ম, যা আলবাত অপ্রাকৃতিক,,,,তা জঙ্গলের নিয়ম নয়, নদীর নিয়ম নয় , সমুদ্রের,মাঠের,ক্ষেতের নিয়ম নয় তা ক্ষমতার দাসত্য করবার নিয়ম মাত্র,,,,তুমি চাও বা না চাও গিলতেই হবে,,,,
পরিক্ষা,,,, চারপাশে তোমার জীবনকে অস্বাভাবিক করে দেওয়ার একটা কল আর মানুষে মানুষে লড়িয়ে দেওয়ার trap ,,,, এ সমাজে গোষ্ঠী নেই, নেই মাতৃতন্ত্রের সাম্য,,,,যা কিছু প্রকৃতির ছিল গেছে সব চুকে,,,,পড়ে আছে খামার ভর্তি আমিত্বতে ভোগা শুয়োরের দল,,,,এগোচ্ছে নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে।
বন্ধু জলোরি, মরণের আগে যেন আমার স্বার্থপরতা ঘুচোতে পারি,সেই সুযোগ একবার দিয়ো আমায়,,,,আমি ছুটে গিয়ে গলা জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গন করব তোমায় কথা দিলাম,,,,তোমার এই ক্ষমতাহীন বান্ধবীটির জ্ঞানে আছো তুমি, যা জাগরণেও সত্য আবার শয়নের মধ্যে তাইই স্বপ্ন।
Text editor : Sneha Nandi
Creation of Sizan Azmir